কুমিল্লায় তাজমিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা রিয়াজ উদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে কক্সবাজারে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি করা হয়।
থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, কক্সবাজার সদর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একজন আইনজীবী তাজমিনকে প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজারে নিয়ে আসা ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলে ধরেন। আদালতে তাজমিনের বয়সের বিষয়টিও জানানো হয়। পরে আদালতের নির্দেশে এক পুলিশ কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
পুলিশ ও মামলার সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রাজুর পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৬ সেপ্টেম্বর ভোরে তাজমিন কক্সবাজারে পৌঁছালে ওই দিন তারা কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন। পরদিন দুপুরে তাজমিন একাই বাসে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
এরপর রোববার রাত ৯টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন থেকে রাজুকে আটক করা হয়। সোমবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশের একটি দল তাকে নিতে কক্সবাজার সদর থানায় আসে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাজুকে কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়।