মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপি ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। মন্ত্রিসভা থেকেও পদত্যাগ করেছেন।জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে দলীয় সূত্রে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি রাষ্ট্রপতি হলে তার বর্তমান দলীয় ও সরকারি দায়িত্বগুলোতে নতুন মুখ আসবে। একই সঙ্গে তার ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনটিও শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সেখানে উপনির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
বিএনপির মহাসচিব পদে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিন নেতার নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
দলীয় সূত্রের দাবি, জাতীয় কাউন্সিলের আগে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সেই দৌড়ে রুহুল কবির রিজভীর নামই তুলনামূলকভাবে বেশি আলোচনায় রয়েছে।এর আগে মির্জা ফখরুল নিজেও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পরে জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণ মহাসচিব হন।
অন্যদিকে সালাহউদ্দিন আহমদ ও আমির খসরু বর্তমানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে তাদের মহাসচিব করার ক্ষেত্রে দলকে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীর জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপির তিন পদে কারা আসছেন?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে বিএনপি ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি
প্রিয় বাংলাদেশবিশ্ব


