ফলের আড়ালে ৩০০ কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনাটি ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্মোচিত হয়।
হংকং থেকে আগত একটি ফলের চালানের ভেতর অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি ওজনের মোট ১৬টি স্বর্ণের বার জব্দ করে ঢাকা কাস্টমস হাউস ও একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
হংকং থেকে ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ফলের এই চালানটি ঢাকায় আসে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে তল্লাশি চালিয়ে ফলের ক্যারেটের ভেতর থেকে এই সোনা উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধারকৃত চালানে ১৬টি স্বর্ণের বার ছিল, যার প্রতিটির ওজন ছিল ১ কেজি (মোট ১৬ কেজি)।
ফলের চালানটি এনেছিল 'ফুড লিংক' নামের একটি প্রতিষ্ঠান, যার স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম মোস্তফা। তদন্তে উত্তর খানের মাণ্ডা ঠিকানায় এই অফিসের কোনো বাস্তব অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি (সেখানে কেবল একটি টিনশেড ঘর রয়েছে) এবং মালিক পলাতক রয়েছেন। চালান খালাসের দায়িত্বে যুক্ত ছিল 'এ. রাজ্জাক ট্রেডিং'।
এর মালিক মো. আবদুর রাজ্জাক মৃধাও ঘটনার পর থেকে পলাতক। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তথ্যমতে, আমদানিকৃত চালানের এয়ারওয়ে বিল হস্তান্তর করা হয়েছিল 'ফাস্টট্র্যাক কার্গো সলিউশনস লিমিটেড'-এর জ্যেষ্ঠ নির্বাহী মো. আখতার উজ্জামানের কাছে।
এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. এম. সোহেল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এই সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের পেছনের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং পুরো নেটওয়ার্কটি উন্মোচনের জন্য তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
ফলের আড়ালে ৩০০ কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালান: শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৬ কেজি সোনা জব্দ, পলাতক মূল সংশ্লিষ্টরা
ফলের আড়ালে ৩০০ কোটি টাকার স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনাটি ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্মোচিত হয়। হংকং থেকে আগত একটি ফলের চালানের ভেতর অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি ওজনের মোট
প্রিয় বাংলাদেশসারা দেশ


