ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তিদের তথ্য নিয়ে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত একটি অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির বিষয়ে হাইকোর্টে রুল জারি হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে অনলাইনে প্রকাশের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়েছেন আদালত। স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফাহমিদা আখতার। শুনানি শেষে তিনি জানান, দেশে অপরাধের ঘটনা বাড়তে থাকায় দণ্ডিত ব্যক্তিদের রেকর্ড সংরক্ষণ ও যাচাইয়ের জন্য একটি কার্যকর অনলাইন ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তাঁর মতে, এমন ডাটাবেজ চালু হলে অপরাধীদের পুনরায় অপরাধে জড়ানোর প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যক্তির পটভূমি যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তিকে চাকরি বা গৃহস্থালি কাজে নিয়োগ দেওয়ার আগে তাঁর অপরাধের ইতিহাস সম্পর্কে জানা সম্ভব হতে পারে।
ফাহমিদা আখতার আরও বলেন, দেশে অপরাধের পর শাস্তির ব্যবস্থা থাকলেও অপরাধ প্রতিরোধ ও ব্যক্তির অতীত যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। একটি উন্মুক্ত ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি এই রিট আবেদন করেন বলে জানান। শুনানি শেষে আদালত সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চেয়েছেন, দণ্ডিত আসামিদের তথ্য নিয়ে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না।
দণ্ডিত আসামিদের তথ্য প্রকাশ্যে আনতে অনলাইন ডাটাবেজ, হাইকোর্টের রুল
ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তিদের তথ্য নিয়ে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত একটি অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির বিষয়ে হাইকোর্টে রুল জারি হয়েছে।দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে অনলাইনে প্রকাশের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে ন
প্রিয় বাংলাদেশসারা দেশ


