১. অ্যালকোহল গ্রহণ: নিয়মিত অ্যালকোহল পান করলে লিভারে চর্বি জমা, প্রদাহ এবং গুরুতর ক্ষেত্রে সিরোসিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। লিভার সুস্থ রাখতে অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ।
৩. অপর্যাপ্ত ঘুম ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন: দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং মানসিক চাপ ওজন ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত ঘুম, হাঁটাচলা ও শরীরচর্চা উপকারী।
লিভার ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, সুষম খাবার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। লিভারের রোগের শুরুতে সব সময় স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। তাই সমস্যা সন্দেহ হলে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।




