উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বহু এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টির পাশাপাশি তীব্র ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি বিচারে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়, নিম্নচাপটি বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারি (৪৪-৮৮ মিমি) থেকে অতি ভারি (৮৯ মিমি বা তার বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
এই ভারি বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য এলাকার পাহাড়ি অঞ্চলে মারাত্মক ভূমিধসের (Landslide) ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের নিচু এলাকাগুলোতে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হতে পারে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত পুনর্নবীকরণ করে দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরীন নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি নিম্নচাপ: দেশের ৪ বিভাগে অতি ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের চরম সতর্কতা
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলসহ বহু এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টির পাশাপাশি তীব্
প্রিয় বাংলাদেশসারা দেশ


