বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বদলি কার্যক্রম শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। অনলাইনে শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।

মাউশির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বদলির ক্ষেত্রে একাধিক নির্দেশনা ও শর্ত দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রদর্শক, ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে পছন্দের ক্রমানুসারে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণের পর কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ দেবে।

নিজ জেলায় শূন্য পদ থাকলে শিক্ষক সেখানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের জেলাতেও বদলির আবেদন করা যাবে।

প্রথমবার চাকরিতে যোগদানের পর অন্তত দুই বছর পূর্ণ না হলে বদলির আবেদন করা যাবে না। একইভাবে বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পরও কমপক্ষে দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে।

ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে আবেদন করলে তা বাতিল হতে পারে। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখেও পড়তে হতে পারে।

চলমান ফৌজদারি মামলা, সাময়িক বরখাস্ত বা স্টপ পেমেন্টের মতো পরিস্থিতিতে থাকা শিক্ষকরা বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। বদলিকে কোনো শিক্ষক অধিকার হিসেবে দাবি করতে পারবেন না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।