সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাংলাদেশের ২৩ হাজার ৮৫ জন যাত্রী। গত ১০ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এসব গন্তব্যে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত মোট ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ১০৩টি সরাসরি এবং ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট।
সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার কথা ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫১টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ২১টি এবং রিয়াদ এয়ারওয়েজের ২১টি। অন্যদিকে ট্রানজিটের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহনের কথা ছিল ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটে।
এসব ফ্লাইটে বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে রিয়াদ ও দাম্মামে পৌঁছানোর কথা ছিল যাত্রীদের। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ঢাকায় অবস্থানরত যাত্রীদের আর বহন করা সম্ভব হয়নি।
সম্প্রতি হুথিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে দাম্মামেও হামলার ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রথমে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মামগামী ফ্লাইট স্থগিত রাখে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়ানো হয়। ফলে দুই গন্তব্যে যাতায়াত করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন বিপুলসংখ্যক যাত্রী।



