ভারতের কলকাতার চোরবাগান এলাকায় দুর্গাপূজার একটি মণ্ডপে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও পদদলনের ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে বলে একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রবল বৃষ্টির সময় মণ্ডপে প্রবেশ করতে গিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে ঠেলাঠেলি শুরু হয়। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই একসঙ্গে মণ্ডপে প্রবেশের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এ সময় কয়েকজন পড়ে গেলে তাঁদের ওপর দিয়ে অন্যদের চলাচলের কারণে পদদলনের পরিস্থিতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। মণ্ডপের প্রবেশপথ ও ভেতরের চলাচলের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, একটি উঁচু বৃত্তাকার করিডোর দিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকায় সেখানে ভিড়ের চাপ তৈরি হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পর উদ্ধারকাজ চালানোর কথা বলা হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা সময়মতো পৌঁছাননি।
পূজার আয়োজক বিকাশ দাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার কারণ তখনো স্পষ্ট ছিল না; আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোই ছিল অগ্রাধিকার। তবে এই ঘটনার স্থান, হতাহতের সংখ্যা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম ও সরকারি সূত্র থেকে নিশ্চিত না করে চূড়ান্ত সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রাণহানির মতো সংবেদনশীল ঘটনায় যাচাই করা তথ্য ব্যবহার করা জরুরি।