৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন প্রত্যয় খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার (৭ নভেম্বর) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার সংকুচিত করা হয়েছিল। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে সংবিধান সংশোধন করে বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাসীনদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
তিনি বলেন, সে সময় দেশজুড়ে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল। মানুষের প্রত্যাশা ছিল গণতন্ত্র ও প্রকৃত স্বাধীনতার পরিবেশ ফিরে পাওয়া। জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে সেই প্রত্যাশা নতুন করে গতি পায় বলে তিনি মনে করেন।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে বন্দি করে রাখার ঘটনায় দেশের মানুষের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর তার মুক্তি জাতীয় জীবনে নতুন দিকনির্দেশনা নিয়ে আসে।
রিজভীর দাবি, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উৎপাদন ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। একই সঙ্গে তার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল।