রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদকে প্রার্থী করার পেছনে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। জোটের দাবি, রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা প্রার্থী দিয়েছে।সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কার্যালয় থেকে অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়।
পরে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোট সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ প্রার্থী বাছাইয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন।জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, নব্বইয়ের দশক থেকে সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এই ধারার পরিবর্তন ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে চায় তারা।
তাদের বক্তব্য, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকে, তাহলে গণতান্ত্রিক চর্চা দুর্বল হয়।জোটটি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়েও আপত্তি তুলে ধরেছে। তাদের মতে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় সংসদে প্রকৃত স্বাধীন মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।অলি আহমদকে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জামায়াত জোট। জোটের মতে, তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিক ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালনের জন্য যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার ব্যাখ্যা দিল জামায়াত জোট
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদকে প্রার্থী করার পেছনে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। জোটের দাবি, রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা প্রার
প্রিয় বাংলাদেশরাজনীতি


