জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসন এবং সংসদীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জোটের শীর্ষ নেতাদের যৌথ বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতারা। তারা বলেন, অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিং এবং গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে জাতীয় অর্থনীতি ও রপ্তানি খাতেও।

সংসদে কার্যকর জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলকে দেওয়ার কথাও বলেন তারা।

এছাড়া মানবাধিকার কমিশন, বিচারব্যবস্থা ও অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।জোট নেতারা বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন করলেই দেশের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চের পর দেশের বিভিন্ন বিভাগে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচি এবং পরবর্তীতে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনার কথাও জানান জোটের নেতা।