শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির দৌড়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে রাজপথ, সংসদ ও মন্ত্রিসভার পর এবার তার সামনে বঙ্গভবনের সম্ভাব্য নতুন ঠিকানা।
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম নেওয়া মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। পরে আশির দশকে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তিনি বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন।
দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন তিনি। ২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে মহাসচিবের দায়িত্ব পান।
২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে বগুড়া-৬ আসন থেকেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি একাধিকবার মামলা ও কারাবরণের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকা মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করেও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
দলের কঠিন সময়েও মহাসচিব হিসেবে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মির্জা ফখরুল। এখন রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যুক্ত হয়েছে নতুন এক অধ্যায়।
রাজপথের সক্রিয় রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে যাওয়ার এই যাত্রাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে তার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শিক্ষকতার শ্রেণিকক্ষ থেকে বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল
শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির দৌড়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে রাজপথ, সংসদ ও মন্ত্রিসভার পর এবার তার সামনে বঙ্গভবনের সম্ভাব্
প্রিয় বাংলাদেশরাজনীতি


