নিয়োগের সময় যে বিধিমালা কার্যকর ছিল, পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো শর্ত যুক্ত করে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্জিত অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
চার শিক্ষকের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ রায় দেওয়া হয়। ‘মো. আবু হানিফ ও অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ মামলায় গত ৩০ জুন বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন বিধিমালা অনুসরণ করে নাটোরের গুরুদাসপুরের রোজি মোজাম্মেল মহিলা কলেজে অর্থনীতি, মনোবিজ্ঞান, ইংরেজি ও সমাজকল্যাণ বিভাগে চারজন প্রভাষক নিয়োগ পান।
পরে ২০২০ সালের এপ্রিলে কলেজটি এমপিওভুক্ত হয়। ওই সময়ের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে নিয়োগ পাওয়া তৃতীয় শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সুযোগ তৈরি হয়। ৭২৬ জন শিক্ষকের তালিকায় ওই চারজনের নামও ছিল। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে এনটিআরসিএ সনদ না থাকার কারণ দেখিয়ে তাঁদের আবেদন অনলাইনে বাতিল করা হয়।
এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন তাঁরা।
রায়ে আদালত বলেন, চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর পরিবর্তিত বিধিমালার মাধ্যমে কোনো কর্মচারীর পূর্বে অর্জিত অধিকার ক্ষুণ্ন করা যায় না। চার শিক্ষক নিয়োগের সময় এনটিআরসিএ সনদ বাধ্যতামূলক ছিল না। পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া এ শর্ত তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
এনটিআরসিএ সনদ না থাকার কারণ দেখিয়ে এমপিও আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্তও বাতিল করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে চার শিক্ষককে এমপিও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ওই সময় থেকে প্রাপ্য বকেয়া ও আর্থিক সুবিধা পরিশোধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের পর নতুন শর্তে এমপিও বঞ্চিত করা যাবে না: হাইকোর্ট
নিয়োগের সময় যে বিধিমালা কার্যকর ছিল, পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো শর্ত যুক্ত করে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্জিত অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। চার শিক্ষকের করা রিটের প
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়


