সরবরাহ বাড়ায় কমেছে মরিচের দাম, তবে মাছ-মাংস ও অন্যান্য পণ্যে বাড়তি খরচে চাপে সাধারণ মানুষ রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে তা মান ও বাজারভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এর প্রভাবেই দাম কমতে শুরু করেছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সবজির বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।সবজি বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, অনেক সময় ব্যবসায়ীরা নিজেদের সুবিধামতো পণ্যের দাম বাড়ানো-কমানো করেন। আমদানি হলেও সব পণ্য একসঙ্গে বাজারে ছাড়া হয় না।
এদিকে কিছু সবজির দামও কমেছে। লম্বা বেগুন এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গোল বেগুনের দাম এখনও প্রায় ১৫০ টাকা কেজি।ধুন্দল, লাউ, পটল, ঝিঙা ও চিচিঙা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং করলা ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তবে সবজির দাম কিছুটা কমলেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফেরেনি। ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছ, মাংস ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে বাজার খরচ কমছে না।মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৫০ টাকা এবং গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের বাজারে সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকা এবং লাল ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারেও দাম চড়া রয়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, বোয়াল ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচামরিচের দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই
সরবরাহ বাড়ায় কমেছে মরিচের দাম, তবে মাছ-মাংস ও অন্যান্য পণ্যে বাড়তি খরচে চাপে সাধারণ মানুষ রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়


