প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পরও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রাজপথে দীর্ঘ পথ হেঁটে ব্যতিক্রমীভাবে র্যালিতে অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজনে ‘সার্বভৌমত্ব’ র্যালিতে নেতৃত্ব দিয়ে প্রায় ছয় কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন তিনি।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নিজে হেঁটে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুরো কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে র্যালিটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছায়।
র্যালি দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে মানুষের ভিড় জমে। আশপাশের ভবনের ছাদ ও জানালা থেকেও অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনিও হাসিমুখে হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
নয়াপল্টন থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি কাকরাইল, রমনা, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, ফার্মগেট ও ইন্দিরা রোড হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রীর এভাবে পুরো র্যালিতে হেঁটে অংশ নেওয়া দেশের রাজনীতিতে বিরল ঘটনা। তার মতে, এ দৃশ্য গণতন্ত্র পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।
এর আগে নয়াপল্টনে অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তারেক রহমান। দুপুর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা এবং জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড।
দীর্ঘ সময় লন্ডনে অবস্থানের পর ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিলেও বিএনপির দলীয় র্যালিতে এটিই ছিল তাঁর প্রথম অংশগ্রহণ।



