ইতিহাসের প্রতিটি দিনেই পৃথিবী হারিয়েছে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও কর্মের মাধ্যমে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়া অনেক গুণী ব্যক্তিকে। ২৯ অক্টোবরও তেমন কয়েকজন বিশিষ্ট মানুষের প্রয়াণের দিন। সাংবাদিকতা, সাহিত্য, শিল্পকলা, রাজনীতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের অবদান আজও স্মরণ করা হয়। 
প্রয়াত বিশিষ্টজনরা-
জোসেফ পুলিৎজার 
১৮৪৭–১৯১১— প্রখ্যাত মার্কিন সংবাদপত্র প্রকাশক ও সাংবাদিক। আধুনিক সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তার নামেই সাংবাদিকতার মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘পুলিৎজার পুরস্কার’ প্রবর্তিত হয়।
ফ্রান্সেস হজসন বার্নেট 
১৮৪৯–১৯২৪— ইংরেজ-মার্কিন ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। The Secret Garden ও Little Lord Fauntleroy তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম, যা বিশ্বজুড়ে পাঠকের কাছে সমাদৃত।
জোসেফ বাবিনস্কি
১৮৫৭–১৯৩২— ফরাসি স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ। স্নায়ুতন্ত্রের রোগ নির্ণয়ে তার গবেষণা চিকিৎসাবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে; ‘বাবিনস্কি সাইন’ তার নামেই পরিচিত।
জর্জ গুরজিয়েফ 
১৮৬৬–১৯৪৯— আর্মেনীয় বংশোদ্ভূত আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ, দার্শনিক ও লেখক। আত্মসচেতনতা, মানুষের মন ও আধ্যাত্মিক বিকাশ নিয়ে তার চিন্তাধারা বিভিন্ন দেশে অনুসারী তৈরি করে।
টেরি সাউদার্ন 
১৯২৪–১৯৯৫— মার্কিন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও চিত্রনাট্যকার। ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্যরীতি ও চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যে অবদানের জন্য তিনি পরিচিত। 
জিমি স্যাভিল 
১৯২৬–২০১১— ব্রিটিশ রেডিও ও টেলিভিশন উপস্থাপক। দীর্ঘদিন বিনোদন জগতে পরিচিত থাকলেও মৃত্যুর পর তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের বহু অভিযোগ প্রকাশিত হয়, যা যুক্তরাজ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। 
মানুষের জীবন একদিন শেষ হয়, কিন্তু তার কর্ম ও অবদানের প্রভাব অনেক সময় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে থাকে। ২৯ অক্টোবর প্রয়াত এসব ব্যক্তির জীবন ও কাজ ইতিহাসের নানা ক্ষেত্রে স্মরণীয় হয়ে আছে। তাদের মধ্যে যাদের অবদান মানবসভ্যতা, জ্ঞানচর্চা, সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে, তাদের প্রতি রইল শ্রদ্ধার্ঘ্য।