ইতিহাস, বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গনে অবদান রাখা বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান ব্যক্তির জন্মদিন আজ ৩১ অক্টোবর। তাদের কর্ম ও সৃষ্টির মধ্য দিয়ে তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
 আজ যাদের জন্মদিন-
নরিন্দর সিং কাপানি -১৯২৬: ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। ফাইবার অপটিকস প্রযুক্তির অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
অ্যাডলফ ফন বেয়ার -১৮৩৫ : জার্মান রসায়নবিদ। জৈব রসায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯০৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
কার্ল ওয়েইয়ারস্ট্রাস -১৮১৫: জার্মান গণিতবিদ। আধুনিক গাণিতিক বিশ্লেষণের বিকাশে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
 ড্যান রাদার -১৯৩১ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত টেলিভিশন সাংবাদিক ও সংবাদ উপস্থাপক। দীর্ঘদিন সিবিএস নিউজে কাজ করেছেন।
জেন পলি -১৯৫০: মার্কিন সাংবাদিক ও টেলিভিশন উপস্থাপক। সংবাদ ও টক শো উপস্থাপনায় পরিচিত মুখ।
জন কিটস -১৭৯৫ : ইংরেজ রোমান্টিক কবি। তার কবিতা বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
মার্কো ফন বাস্তেন -১৯৬৪: নেদারল্যান্ডসের সাবেক ফুটবল তারকা। অসাধারণ গোল করার দক্ষতার জন্য বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন।
ফ্রাঙ্ক শর্টার -১৯৪৭: যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদৌড়বিদ। ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে ম্যারাথনে স্বর্ণপদক জয় করেন।
আলেকজান্ডার আলেখিন -১৮৯২: রাশিয়ার বিখ্যাত দাবাড়ু। বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।
মার্কাস রাশফোর্ড -১৯৯৭: ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ফুটবলার আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত।
 ইয়োহানেস ভারমিয়ার -১৬৩২: ডাচ চিত্রশিল্পী। তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম গার্ল উইথ আ পার্ল ইয়াররিং বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
হোকুসাই -১৭৬০: জাপানের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও মুদ্রণশিল্পী। তাঁর শিল্পকর্ম জাপানি সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি দিয়েছে।
জাহা হাদিদ -১৯৫০: ইরাকি-ব্রিটিশ স্থপতি। আধুনিক স্থাপত্যে ব্যতিক্রমী নকশার জন্য বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন।
জন ক্যান্ডি -১৯৫০: কানাডার জনপ্রিয় অভিনেতা ও কৌতুকশিল্পী। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান।
পিটার জ্যাকসন -১৯৬১: নিউজিল্যান্ডের চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক। দ্য লর্ড অব দ্য রিংস চলচ্চিত্র সিরিজ পরিচালনা করে বিশ্বখ্যাতি অর্জন করেন।
সময়ের ব্যবধানে এসব গুণী মানুষের অনেকেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন, তবে তাদের সৃষ্টি, আবিষ্কার ও অর্জন আজও মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। জন্মদিনে তাদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা যায়।