প্রতিদিনের খাবারে ডিম অনেকেরই পছন্দের একটি উপাদান। কেউ সিদ্ধ ডিম খেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, আবার কেউ পছন্দ করেন ভাজা কিংবা অমলেট। তবে পুষ্টিগুণের কথা বিবেচনা করলে কোন পদ্ধতিতে ডিম খাওয়া বেশি উপকারী—এ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে।
পুষ্টিবিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, রান্নার ধরন পরিবর্তন হলেও ডিমের প্রোটিনের পরিমাণে বড় কোনো পরিবর্তন হয় না। একটি বড় ডিমে সাধারণত প্রায় ৬ দশমিক ৩ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাপের কারণে প্রোটিনের গঠনে পরিবর্তন ঘটলেও তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় না।
বরং ডিম রান্না করে খেলে শরীরের পক্ষে প্রোটিন হজম ও শোষণ করা সহজ হয়। অন্যদিকে কাঁচা ডিম খেলে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই পুষ্টি পাওয়ার আশায় কাঁচা ডিম খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
সিদ্ধ ও পোচ ডিম তৈরিতে বাড়তি তেল বা মাখন লাগে না বলে এগুলো তুলনামূলক কম ক্যালরির খাবার হিসেবে ভালো বিকল্প হতে পারে। অন্যদিকে ভাজা ডিমেও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে, তবে রান্নায় অতিরিক্ত তেল, মাখন বা চিজ ব্যবহার করলে ক্যালরির পরিমাণ বেড়ে যায়।খুব বেশি তাপে দীর্ঘ সময় রান্না করা কিংবা ডিম পুড়িয়ে ফেলা এড়িয়ে চলা ভালো। স্বাভাবিক তাপে ভালোভাবে রান্না করে নিজের পছন্দ অনুযায়ী ডিম খাওয়া যায়।সব মিলিয়ে, পুষ্টির দিক থেকে শুধু সিদ্ধ না ভাজা—এটিই মূল বিষয় নয়। বরং রান্নায় কতটা তেল ব্যবহার করা হচ্ছে এবং খাবারটি কীভাবে প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।




