রাঙ্গামাটির পর্যটন কেন্দ্র সাজেক সড়কে সড়কে গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে তৃতীয় দিনের মতো অবরোধ চলছে।
গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকে অবরোধকালীন শুধু উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন এবং স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গামী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহনকারী যানবাহন চলাচলে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সাজেক পর্যটন সড়ক অবিলম্বে সচল করা এবং পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধের দাবিতে গতকাল বুধবার ও বৃহস্পতিবার ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামে একটি সংগঠন।
সংগঠনটির দাবি, গত ১১, ১৫ ও ২২-২৩ অক্টোবর এবং সর্বশেষ ২ নভেম্বর চতুর্থ দফায় চিহ্নিত সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের মদদপুষ্ট সংগঠন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঘোষিত অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটন সড়ক, স্থানীয় পর্যটন শিল্প ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অবরোধের কারণে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে ব্যবসায়ী, যানবাহন মালিক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটি আরও অভিযোগ, অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সাজেক পর্যটন সড়ক সচল করা ও পাহাড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে দুই সংগঠনের অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে কোনো সাধারণ যান চলাচল করছে না। দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষিপ্তভাবে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী টহল জোরদার করেছে।
রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।




