নোয়াখালীর সেনবাগে পৃথক দুটি ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের একজন রাসায়নিক পদার্থ (এসিড) পান করে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যজন ধানখেতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের মানিক লাল বণিকের ছেলে দোলন কুমার বণিক (৩০) শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য রোগে ভুগছিলেন তিনি। ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও সুস্থ না হওয়ায় রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির পাশের বাগানে সবার অগোচরে এসিড পান করেন। পরে বাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসিডে তাঁর পরনের কাপড়ও পুড়ে যায়।
অন্যদিকে, অর্জুনতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘোরকাটা গ্রামের মৃত শেখ শফিকের ছেলে শেখ খাজা মাইনুদ্দিন (৪৫) বৃহস্পতিবার বিকেলে গরুর জন্য ঘাস কাটতে বের হন। ফেরার পথে পাশের গ্রামের জাকির হোসেনের (৩০) ধানখেতে ইঁদুর মারার জন্য পেতে রাখা বৈদ্যুতিক ফাঁদে জড়িয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা ধানখেতের পাশে তাঁর মরদেহ দেখতে পান। ঘটনার পর থেকে জাকির পলাতক রয়েছেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন জানান, পৃথক ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। দোলনের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।