ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে নৈশভোজের আয়োজন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান শি জিনপিং। এরপর ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, দিনের ব্যস্ত কর্মসূচির কারণে নৈশভোজে অংশ নেননি চীনা প্রেসিডেন্ট। দীর্ঘ বিমানযাত্রা ও সময়ের পার্থক্যের কারণে তিনি ক্লান্ত ছিলেন বলেও সূত্রগুলো জানিয়েছে। অবশ্য ক্লান্তির মধ্যেও দিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন শি।মোদির দেওয়া নৈশভোজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ব্রিকসের অন্য নেতারা অংশ নেন। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, লোকসভার স্পিকার এবং কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ, নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব ও শিবরাজ সিং চৌহান। ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এছাড়া উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।এদিকে দুই দিনের ব্রিকস সম্মেলন রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেষ হওয়ার কথা। সম্মেলনে ১১টি সদস্য দেশ ও ১০টি অংশীদার দেশের নেতাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন।

রোববার মোদির সাতটি দেশের নেতার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এর আগে শনিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ভারত-চীন সম্পর্কের অগ্রগতি ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।বৈঠকে দুই নেতা মতপার্থক্যকে বিরোধে রূপ না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে ভারত ও চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।