মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সামনে কেবল দুটি বিকল্প খোলা রয়েছে—হয় চুক্তি করা, তা না হলে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করা। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প তেহরানের বর্তমান নেতৃত্বের তীব্র সমালোচনা করে তাঁদের নীতিকে দ্বিমুখী বলে অভিহিত করেন।
ট্রাম্প অভিযোগ তোলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ একদিকে গোপনে বৈঠকের আকুতি জানাচ্ছে এবং নতুন করে আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে, আবার অন্যদিকে প্রকাশ্যে গর্ব করে দাবি করছে যে তারা কোনো আলোচনায় যুক্ত নয়—কেবল ওমানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে তেহরানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর নিজের ক্ষোভ চেপে রাখেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক জলপথটি এখন পুরোপুরি মার্কিন নৌবাহিনীর শক্ত নজরদারি ও ইস্পাতকঠিন অবরোধের অধীনে রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়া এই প্রণালি দিয়ে কোনো ধরনের নৌযান চলাচল করতে পারবে না এবং কোনো চূড়ান্ত চুক্তি বা পূর্ণ আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত এই কড়া অবস্থান বজায় থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বীকার করুক আর না করুক—ইরান বিগত কয়েক দশক ধরে যে আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরি করে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন তার একটি চিরস্থায়ী সমাধান চায়। বার্তাটির শেষে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের স্বপ্ন মার্কিন প্রশাসন কোনো অবস্থাতেই বাস্তবায়ন হতে দেবে না।
ইরানের সামনে এখন দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের সামনে কেবল দুটি বিকল্প খোলা রয়েছে—হয় চুক্তি করা, তা না হলে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করা। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায়
প্রিয় বাংলাদেশবিশ্ব


