রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জৈব সার উৎপাদনের কার্যক্রম দেশের অন্যান্য এলাকাতেও চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্জ্যকে শুধু ফেলে না রেখে সেটিকে সম্পদে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। প্লাস্টিক থেকে বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য বর্জ্য থেকে জৈব সার উৎপাদনের চলমান উদ্যোগ দেশের অন্যান্য এলাকাতেও কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।পরিদর্শনের শুরুতে ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের বি-৬ ব্লকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, ক্যাম্প থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় ৭০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি সৌর প্যানেল থেকেও বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।গত ১৮ আগস্ট প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ছয় ঘণ্টা প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে অন্যান্য বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার তৈরি করা হচ্ছে, যা রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

পরে ক্যাম্প-৪ বর্ধিত এলাকার আরেকটি প্রকল্প পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, জৈব সার, কয়লা ও পরিশোধিত পানি উৎপাদনের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।পরিদর্শন শেষে ক্যাম্প-৪ বর্ধিত এলাকায় তিনটি ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন মীর শাহে আলম। পরে ক্যাম্প-৮ ওয়েস্টের একটি ওয়াচ টাওয়ারও পরিদর্শন করেন তিনি।