১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আযাদের (বাচ্চু রাজাকার) দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগীয় বেঞ্চে এই শুনানি কার্যক্রম শুরু হয়।
আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৩ বছর পর আপিল আবেদন করেছেন বাচ্চু রাজাকার। আবেদনে আপিল করতে ৪,৯১৫ দিন দেরি হওয়ার কারণ দর্শিয়ে আইনি বিলম্ব মার্জনা (Condonation of delay) চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিকী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করার পর ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়েই বাচ্চু রাজাকারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের মোট আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়, যার মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং চারটিতে যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বিচার চলাকালীন সময় থেকেই তিনি বিদেশে পলাতক ছিলেন।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের অক্টোবর মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আত্মসমর্পণ করতে ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে তার মৃত্যুদণ্ড থেকে চূড়ান্ত খালাস বা সাজা মওকুফের আইনি আইনি লড়াই চালাচ্ছেন।
সাজা স্থগিতের আবহে ১৩ বছর পর ট্রাইব্যুনালে আবুল কালাম আযাদ: মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আযাদের (বাচ্চু রাজাকার) দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়


