রাজধানীর কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য আধুনিক আবাসন নির্মাণে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে চীন।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ বিষয়ে সম্মতির কথা জানান।

বৈঠক শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের বলেন, প্রকল্পটির পুরো অর্থ একসঙ্গে দেওয়া সম্ভব না হলে চীন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগ করবে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০ তলা ভবনে প্রায় ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ বর্গফুটের ছোট ছোট আবাসিক ইউনিট নির্মাণ করা হবে। বর্তমানে যেসব পরিবার বস্তিগুলোতে বসবাস করছে, তাদের পর্যায়ক্রমে এসব আবাসনে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের কাছ থেকে মাসিক ভাড়া নেওয়া হবে না। তবে বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য ইউটিলিটি ব্যবহারের খরচ বাসিন্দাদের বহন করতে হবে।

সরকার ইতোমধ্যে বস্তিগুলোতে বসবাসরত পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান বাসিন্দাদের কেউ যেন বাদ না পড়ে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে দক্ষতা উন্নয়ন ও ম্যান্ডারিন ভাষা শেখানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ম্যান্ডারিন ভাষা শেখাতে চীন থেকে প্রশিক্ষক আনার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।এছাড়া চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক অঞ্চল, মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে মোংলার যোগাযোগ উন্নয়ন নিয়েও চীনের আগ্রহের কথা জানানো হয়েছে।