স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৩ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আপডেট প্রসঙ্গে ইসি সচিব জানান, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে নির্বাচন নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এই সময়সীমা পরিবর্তন হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আগামী অক্টোবর থেকে নির্বাচন শুরু করা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর ভোটের তারিখ পর্যন্ত সাধারণত ৪৫ দিন সময় লাগে। এর পাশাপাশি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রিন্ট করতে অন্তত দেড় মাস প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ যেকোনো নির্বাচনের জন্য সব মিলিয়ে তিন মাসের মতো প্রস্তুতিমূলক সময়ের দরকার হয়। ফলে কোনো স্পষ্ট তথ্য ছাড়া আগাম কথা বলা সঠিক হবে না।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ইসি সচিব উল্লেখ করেন যে, এখনো এই নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়নি। ভোটার তালিকা পাঠাতে সংসদ সচিবালয়কে অনুরোধ করা হলেও তা এখনো ইসির হাতে পৌঁছেনি। তালিকা হাতে পাওয়ার পরই তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন প্রক্রিয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি জানান, এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একটি বিস্তৃত রূপরেখায় (ব্রড ফ্রেম অফ রেফারেন্স) আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কার্যপ্রণালীবিধি বা এসওপি (SOP) এখনো তৈরি হয়নি। অনাকাঙ্ক্ষিত অসংগতি এড়াতেই এই এসওপি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ইসির অবস্থান: দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় কমিশন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৩ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জ
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়


