বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নজরদারির বাইরে এয়ারসাইডে এসব যান চলাচলে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। হুমকিতে পড়তে পারে উড়োজাহাজের নিরাপদ চলাচল ও যাত্রীদের জীবন।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, দেশের প্রধান আকাশপথ এই বিমানবন্দরে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা দেশি-বিদেশি বহু ফ্লাইট উঠা-নামা করে। এতে লাখ লাখ মানুষ আসা-যাওয়া করে। কিন্তু সংরক্ষিত ও স্পর্শকাতর এয়ারসাইডে এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত এমন যান চলাচলে গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে যাত্রী নিরাপত্তায়। তবুও বাধ্যতামূলক ভেহিকেল ট্র্যাকিং সিস্টেম (ভিটিএস) স্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ নেই। এয়ারলাইন্সগুলো বেবিচকের তাগিদ ও আলটিমেটাম আমলে না নেওয়ায় সংকট আরও বাড়ছে। থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনে গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির মিটিংয়েও বিষয়টি উঠে আসে বলে জানা যায়।
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞদের মতে, এয়ারসাইড এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে ভেহিকেল ট্র্যাকিং সিস্টেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন যান কোথায় যাচ্ছে, কত গতিতে চলছে এবং অনুমোদিত এলাকায় রয়েছে কি না- এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা জরুরি। রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় একটি যানবাহনের ভুল চলাচলও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
তারা বলছেন, দ্রুত সব যানবাহনকে কেন্দ্রীয় নজরদারির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত তদারকি ও নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।




