নবনিযুক্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই লক্ষ্যমাত্রার কথা নিশ্চিত করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, কাজের মান ও চূড়ান্ত প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও ১-২ মাস পিছিয়ে যেতে পারে।
 তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই একটি জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। 

মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি বাড়াতে মন্ত্রী সপ্তাহে অন্তত একদিন সিভিল অ্যাভিয়েশন (CAAB) অথবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস-এর অফিসে বসে সরাসরি কাজ পরিচালনা করবেন।

আগামী অক্টোবর মাসে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু করার আশা ব্যক্ত করা হয়েছে এবং বগুড়া ও ঈশ্বরদী বিমানবন্দর সচল করার বিষয়েও প্রাথমিক সমীক্ষা ও আলোচনা চলছে। 

আগামী বছরের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বিমানের বহরে দ্রুত ১০টি লিজ নেওয়া উড়োজাহাজ যুক্ত করা হবে।