মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় ফেল করা অনেক শিক্ষার্থী পুনর্মূল্যায়নের পর পাস করায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সোমবার সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, যারা পাস করার যোগ্য থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য করেছেন, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ সময় শিক্ষক বদলি নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, এনটিআরসিএর মাধ্যমে অনলাইন বদলি প্রক্রিয়া চালুর কাজ এগিয়ে চলছে। যেসব শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করতে হবে এবং যারা সংযুক্ত অবস্থায় আছেন, সেসব বিষয়ও নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ৮১৭ জন প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি। তাদের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ১ অক্টোবর পর্যন্ত বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।