তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জাফর আহমেদের বাবা ১৯৭০ সালে মাদারীপুরের শিবচরে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা নিয়ে জাফরের সঙ্গে তাঁর মা, বড় ভাই ও শিক্ষকদের বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে বিরোধ আরও বাড়ে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, ওই বিরোধের জেরেই মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও অন্য প্রতিপক্ষকে মামলায় জড়ানো হয়েছিল। এজাহারে উল্লেখ করা ঘটনার সময় আসামিরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মামলার চার নম্বর আসামি ও মাদ্রাসার শিক্ষক হেলাল উদ্দিন দাবি করেন, দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর জাফরকে হুইলচেয়ারে করে মাদ্রাসায় আনা হলে তাঁরা তাঁকে দোতলায় উঠতে সহায়তা করেছিলেন। পরে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। আগামী ২ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে হামলার অভিযোগের মামলায় পুলিশের তদন্তে উঠে এল সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য
জুলাই আন্দোলনের সময় হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্তে ভিন্ন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার বাদী জাফর আহমেদ আন্দোলন চলাকালে হামলায় নয়, বরং সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন।
প্রিয় বাংলাদেশজাতীয়তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জাফর আহমেদের বাবা ১৯৭০ সালে মাদারীপুরের শিবচরে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা নিয়ে জাফরের সঙ্গে তাঁর মা, বড় ভাই ও শিক্ষকদের বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে বিরোধ আরও বাড়ে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, ওই বিরোধের জেরেই মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী ও অন্য প্রতিপক্ষকে মামলায় জড়ানো হয়েছিল। এজাহারে উল্লেখ করা ঘটনার সময় আসামিরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মামলার চার নম্বর আসামি ও মাদ্রাসার শিক্ষক হেলাল উদ্দিন দাবি করেন, দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর জাফরকে হুইলচেয়ারে করে মাদ্রাসায় আনা হলে তাঁরা তাঁকে দোতলায় উঠতে সহায়তা করেছিলেন। পরে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে তাঁদের হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। আগামী ২ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।



