শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার কিশোরগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সড়কপথে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে অনুদান ও সম্মানী প্রদান।

সফরকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথের বিভিন্ন সড়কে সংস্কারকাজও করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা অংশগুলোতে বালু ও সুরকি দিয়ে মেরামতের পাশাপাশি রাস্তার পাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়েরও কথা রয়েছে।

এরপর সাড়ে ১২টার দিকে কটিয়াদী উপজেলার কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন তিনি। দুপুর ১টার দিকে আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

দুপুরের পর কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুদান দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।এ ছাড়া মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদানের কার্যক্রমও উদ্বোধন করবেন তিনি।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন এবং ছাত্রদলের আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সফরটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।