এআই প্রযুক্তিতে তৈরি নিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও মাছরাঙা টেলিভিশনের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন অভিনেত্রী পরীমনি। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটির দুঃখ প্রকাশে পরিস্থিতির সমাধান হয়নি; বরং এ ঘটনার প্রভাব পড়েছে তার ব্যক্তিগত জীবন, কাজ এবং সন্তানদের ওপর।
শনিবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পরীমনি বলেন, একটি ফটোকার্ডের মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করলেই ক্ষতি পুষিয়ে যায় না। মাছরাঙা টেলিভিশনকে উদ্দেশ করে তিনি লেখেন, ‘আমার স্বাভাবিক জীবনটা এইভাবে আবার দুর্বিষহ করে দিয়েছেন, এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাদের।’
অভিনেত্রীর অভিযোগ, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজ বা ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে স্বাভাবিকভাবে কিছু প্রকাশ করতে পারছেন না তিনি। তার সন্তানদের ছবি নিয়েও অসংখ্য নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে। এসব কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি পেশাগত কাজেও সমস্যার মুখে পড়ছেন বলে জানান পরীমনি।
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার বিষয়ে মাছরাঙা টেলিভিশনের ঘোষণার বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পরীমনির ভাষ্য, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও কবে তা কার্যকর হবে, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।
মাছরাঙা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর ভিডিওটি প্রকাশিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে।
শুক্রবার রাতেও ফেসবুক লাইভে এ বিষয়ে কথা বলেন পরীমনি। তিনি জানান, ভিডিওটি নতুন নয়; প্রায় দেড় বছর আগে থেকেই অনেকে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাচ্ছিলেন। তবে ভেরিফায়েড গণমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশের পর তা নতুন করে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে তার ক্ষোভ বেড়েছে।