বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয় শিক্ষক। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথ তালিকায় গত বছরের চার শিক্ষকের সঙ্গে এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আরও দুজন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রকাশিত তালিকায় চুয়েটের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।
তালিকায় চুয়েটের শিক্ষকদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তার অবস্থান ১ হাজার ৪১৮তম। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি। একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে। এ উপক্ষেত্রে তার অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। আর অধ্যাপক ড. মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে; তার অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।
রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্র ৩৪টি। বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি।
এদিকে যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্র ৪৪টি।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত এ তালিকা তৈরিতে গবেষণাপত্রের সংখ্যা ছাড়াও গবেষণার প্রভাব এবং অন্যান্য গবেষণায় উদ্ধৃতির পরিমাণ বিবেচনা করা হয়। এ জন্য স্কোপাস ডেটাবেজে সংরক্ষিত গবেষকদের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।
তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা অথবা নিজ নিজ বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রে শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার শর্ত রয়েছে। মূল্যায়নের জন্য বিজ্ঞানকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে। চুয়েটের ছয় শিক্ষকের এ অর্জন আন্তর্জাতিক পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণাকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।