এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এবার উচ্চশিক্ষায় ভর্তির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হওয়ার সময় এসেছে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ কিংবা প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে জায়গা করে নিতে শুরু হবে কঠিন প্রতিযোগিতা। তাই ফলাফলের পরবর্তী সময়টুকু পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন অভিজ্ঞরা। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।
গত ১০ বছরের মধ্যে এবার পাসের হার সর্বনিম্ন হওয়ায় ফলাফল নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এখন শিক্ষার্থীদের সামনে বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করা। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করতে শুধু একাডেমিক ফলাফলের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। নিয়মিত পড়াশোনা, বিষয়ভিত্তিক অনুশীলন, সময় ব্যবস্থাপনা এবং আত্মবিশ্বাস ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মতে, কোচিং বা মডেল টেস্টে প্রত্যাশিত নম্বর না পেলেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। অনুশীলনী পরীক্ষায় কঠিন প্রশ্ন আসতে পারে।
সেখানে কম নম্বর পাওয়া মানেই মূল ভর্তি পরীক্ষায় খারাপ ফল হবে, এমন নয়। বরং ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সংশোধনের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ও সময়সূচি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের উচিত নিয়মিত সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট অনুসরণ করা। আবেদনের যোগ্যতা, সময়সীমা, পরীক্ষার তারিখ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সম্পর্কে আগেভাগেই জেনে নেওয়া জরুরি।
ভর্তি মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তায় ভোগেন। তবে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে একাধিক সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মৌসুম শুরু হতে আর বেশি সময় নেই। তাই সময় নষ্ট না করে এখন থেকেই পড়াশোনার রুটিন তৈরি, নিয়মিত অনুশীলন এবং দুর্বল বিষয়গুলোতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।




