নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মো. খলিলুর রহমান নামে এক মনোহারি দোকানির শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে তার শরীরের ৫০ শতাংশের বেশি দগ্ধ হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। খলিলুর রহমান ওই বাজারের একজন মনোহারি ব্যবসায়ী।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় খলিলুর রহমান নিজের দোকানে ছিলেন। এ সময় তার শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে তার শরীরের অর্ধেকের বেশি দগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি দোকানের মালামালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চেংজানা গ্রামের মৃত কাদেনামাজের ছেলে সুমন মিয়া দোকানে ঢুকে খলিলুর রহমানের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বাকি লেনদেনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুমন মিয়া পলাতক থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, খলিলুর রহমানের শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।