ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর বিরোধিতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ও গ্রামীণ মেলা। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারসংলগ্ন কুমার নদে এ নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজনকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে বসে গ্রামীণ মেলা। স্থানীয় সূত্র জানায়, নৌকাবাইচ ও মেলা আয়োজনের বিরোধিতা করে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী প্রচার চালায়। তারা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মেলাকে অনুপযুক্ত দাবি করে আয়োজন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এলাকায় মাইকিং করে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তবে আয়োজক ও স্থানীয় যুবসমাজ পূর্বনির্ধারিত সময়ে নৌকাবাইচ আয়োজনের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। পরে চারটি বাচারি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। নৌকাবাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে নারী, শিশুসহ বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এস এম মাসুদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইন, সহসভাপতি খান আতাউর রহমান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ খান রাব্বি।
আয়োজনকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে জন্য নদীর দুই পাড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নৌকাবাইচ ও মেলা আয়োজন নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে এলাকায় আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নৌকাবাইচ ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয়দের অনেকে বলেন, নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার দীর্ঘদিনের লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। এ আয়োজনকে ঘিরে প্রতিবছরই কুমার নদের তীরে মানুষের মিলনমেলা বসে।
বিরোধের মধ্যেও বোয়ালমারীতে কুমার নদে নৌকাবাইচ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর বিরোধিতার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ও গ্রামীণ মেলা। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারসংলগ্ন কুমার নদে এ নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন
প্রিয় বাংলাদেশসারা দেশ


