যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নাম আসার পর সিরাজগঞ্জের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুন অর রশিদকে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) তাকে বদলি করে খাদ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা এস এম কায়ছার আলী বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে কী কারণে তাকে বদলি করা হয়েছে, তা জানাতে পারেননি তিনি। জেলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মোফাজ্জল হোসেনও বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে ২৪২টি শূন্য পদের বিপরীতে এমসিকিউ বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর কয়েক মিনিট আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় হারুন অর রশিদের নাম আলোচনায় আসে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে তিনি অনিয়মিতভাবে অফিস করছিলেন বলে জানা গেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ১০ দিন পর তিনি অফিসে আসেন। তবে মাত্র দুই ঘণ্টা অফিস করে বেরিয়ে যান বলে জানিয়েছেন প্রধান সহকারী কামরুল ইসলাম।
তিনি জানান, সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুন অর রশিদ অফিস করেন। এরপর ২৫ অক্টোবর অফিসে এসে বেলা ১১টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে এলএসডি গুদাম পরিদর্শনে যাওয়ার কথা বলে বেরিয়ে যান। ১৪ অক্টোবর থেকে তিনি দুই দিনের ছুটিতে ছিলেন বলেও জানান কামরুল ইসলাম।
এদিকে ব্যক্তিগত ও পূজার ছুটির মধ্যে হারুন অর রশিদের বদলির আদেশ আসে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ বদলির নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করেননি।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর সংঘবদ্ধ চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যরা। এসআরবি ও সিআইডির তদন্তে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।