নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাসমিন আহমেদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অভিভাবকরাও একাত্মতা প্রকাশ করেন।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) আবুল হায়াত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করেন। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করে তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, বোর্ড নির্ধারিত ফির চেয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণিতে নির্ধারিত ফির চেয়ে বেশি এবং নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বার্ষিক ভোজ ও টিফিন, পরিচয়পত্র, আইসিটি ও ক্রীড়া ফান্ড এবং ম্যাগাজিন প্রকাশনার অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তারা। দুই বছর আগে পরিচয়পত্র বাবদ অর্থ নেওয়া হলেও এখনো পরিচয়পত্র দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ল্যাবে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি ও টয়লেট অপরিচ্ছন্ন থাকার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাসমিন আহমেদ বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সঠিক নয়। কেউ হয়তো ভুল তথ্য উপস্থাপন করে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল হায়াত বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানানো হবে এবং শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
নাটোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস
নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাসমিন আহমেদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ
প্রিয় বাংলাদেশসারা দেশ


