দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্যের গুণগত মান বজায় রাখা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে খাদ্য সংরক্ষণ, চাল আমদানি, শিক্ষা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, চাল নির্ধারিত সময়ে দেশে পৌঁছেছিল এবং এর মানও সন্তোষজনক ছিল। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে সেগুলোর মান বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময় বাংলাদেশের সংরক্ষণব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর ফলে যাতায়াত সহজ হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।
পাশাপাশি পাকিস্তানে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও আনারসের বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন হাইকমিশনার। দুই দেশের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়িয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ প্রকাশ করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।



