ভারতে ‘বাংলাদেশের আদলে’ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে কংগ্রেস ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা—এমন অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর দাবি, বিরোধীরা তরুণদের গঠনমূলক কাজে যুক্ত করার বদলে রাজনৈতিক সংঘাত ও অস্থিরতা তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রাজনাথ সিং।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কিংবা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার অধিকার কারও নেই। বিরোধী নেতাদের বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া এবং সরকার পতনের বক্তব্য তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন তৈরি করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাজনাথ সিংয়ের ভাষ্য, ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের মতো শব্দের ব্যবহার থেকে বোঝা যায়, বিরোধীদের আন্দোলন শুধু নির্বাচনী সংস্কার কিংবা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর অভিযোগ, এসব তৎপরতার লক্ষ্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা।
দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী দল ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের বিক্ষোভের মধ্যেই এ বক্তব্য দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভকারীরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করছেন।
তবে বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাজনাথ সিংয়ের অভিযোগগুলো তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য। এসব দাবির সমর্থনে সংবাদ সম্মেলনে কী প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে, তা সরবরাহ করা তথ্যে স্পষ্ট নয়।
তথ্যসূত্র: দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস