যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্যে ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নতুন হামলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেহরান নীতি পরিবর্তন না করলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারে। অন্যদিকে নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়াও ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা ইসরায়েলের রয়েছে। ইরানের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়েও তিনি বক্তব্য দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। 
এর জবাবে ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা নতুন হামলা হলে আগের চেয়ে কঠোর পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা আরও বাড়ানো হয়েছে। তবে এসব সামরিক দাবির সবকিছু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত থাকা মানেই হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—এমন নয়। প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি, আলোচনায় সুবিধা নেওয়া কিংবা সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবেও এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হতে পারে। নতুন সংঘাত শুরু হলে তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। 
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহ ও জ্বালানির দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা হলে ব্যাংকিং, তথ্যপ্রযুক্তি ও আঞ্চলিক বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে কূটনৈতিক আলোচনার পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও আলোচনার অগ্রগতির ওপর।