ব্রিটিশ রাজপরিবারে আবারও সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। তবে রাজপরিবারের প্রচলিত দায়িত্ব ও পদমর্যাদায় ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে স্বাধীন পরিচয়ে জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে আগ্রহী তারা। যুক্তরাজ্যের নটিংহামে সম্প্রতি একটি জনসমাগমে অংশ নেওয়ার পর এ আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ১৭ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নটিংহামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর হ্যারি ও মেগানের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। এর আগে জনসমক্ষে উপস্থিতি নিয়ে তাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে নিউ আইডিয়া সাময়িকীর বরাত দিয়ে বলা হয়, জনতার উচ্ছ্বাস ও সমর্থন তাদের সংশয় অনেকটাই কমিয়েছে। এ অভিজ্ঞতা থেকে হ্যারি মনে করছেন, রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বে না ফিরেও জনজীবনে সক্রিয় থাকা এবং নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করা সম্ভব।
২০১৭ সালে বাগদানের পর হ্যারি ও মেগান রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তারা প্রচলিত রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে নিজেদের আলাদা পরিচয় ও কর্মপরিসর গড়ে তোলেন। এরপর থেকে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নটিংহামের অভিজ্ঞতার পর দম্পতি আরও কিছু জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে আংশিক দায়িত্ব পালনের কোনো ব্যবস্থা তারা চাইছেন—এমন তথ্য প্রতিবেদনে নেই। বরং স্বাধীন পরিচয়ে জনসমক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথাই বলা হয়েছে।
রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কাঠামো, প্রটোকল ও দায়িত্বের সঙ্গে তাদের এ ধরনের উদ্যোগ কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। হ্যারি-মেগানের পূর্ণকালীন প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও প্রতিবেদনে আলোচনায় এসেছে। তবে এ বিষয়ে দম্পতি কিংবা বাকিংহাম প্রাসাদের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। ফলে বিষয়টি এখনো সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্যনির্ভর জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।




