লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচকে ঘিরে আবেগে ভাসছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম। দীর্ঘদিনের সতীর্থদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের কাছেও মেসির বিদায়ের মুহূর্তটি হয়ে উঠেছে বিশেষ।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচটিকেই জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দলের মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ জানিয়েছেন, শেষ সময়টুকু মেসির সঙ্গে আনন্দে কাটাতে চান সতীর্থরা। একসঙ্গে সময় কাটানো, বারবিকিউ করা এবং মেসির বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

মেসির সঙ্গে আগে একই ড্রেসিংরুমে না থাকা তরুণ ফরোয়ার্ড সান্তিয়াগো কাস্ত্রোর কাছেও বিষয়টি অত্যন্ত আবেগের। ছোটবেলা থেকে মেসিকে অনুসরণ করা এই ফুটবলার বলেন, মেসিই তাকে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা এবং জাতীয় দলের জার্সির গুরুত্ব বুঝতে শিখিয়েছেন।

রাইটব্যাক অগাস্তিন হিয়াইয়ের মতে, মেসির বিদায়ের রাতটি একই সঙ্গে আনন্দ ও বিষাদের। কারণ, প্রাপ্য সম্মান নিয়েই তিনি জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে যাচ্ছেন।

মেসিকে দেখে বেড়ে ওঠা জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি মনে করেন, জাতীয় দলে মেসির অনুপস্থিতিতে বড় একটি শূন্যতা তৈরি হবে। অন্যদিকে ফরোয়ার্ড মাতিয়াস সুলে মেসির সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করার সুযোগকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় বলে উল্লেখ করেছেন।

মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও বিদায়ের প্রসঙ্গে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। তার মতে, শেষ ম্যাচটি যেন মেসি আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করতে পারেন, সতীর্থরা সেটিই নিশ্চিত করতে চান।

বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকাসহ আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য সাফল্য অর্জন করেছেন মেসি। ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে সতীর্থদের একটাই চাওয়া—জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো তাকে হাসিমুখে দেখতে চান তারা।