দূরপাল্লার বা আঁকাবাঁকা সড়কে বাসে ভ্রমণের সময় অনেক যাত্রী মোশন সিকনেসে (চলাচলজনিত অসুস্থতা) ভোগেন। এর ফলে মাথা ঘোরা, অস্বস্তি, ঠান্ডা ঘাম এবং বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চোখে দেখা দৃশ্য এবং শরীরের ভারসাম্য রক্ষাকারী অভ্যন্তরীণ কানের সংকেতের মধ্যে অমিল তৈরি হলে মোশন সিকনেসের লক্ষণ দেখা দেয়। শিশু, গর্ভবতী নারী এবং যাদের আগে থেকেই এ ধরনের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, বাসে ওঠার আগে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত বা ভারী খাবার এড়িয়ে হালকা খাবার খাওয়া ভালো। বাসে সামনের দিকের আসনে বসলে ঝাঁকুনি তুলনামূলক কম অনুভূত হয়। জানালার বাইরে দূরের কোনও স্থির বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকা, পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং বই পড়া বা দীর্ঘ সময় মোবাইলের পর্দায় তাকিয়ে না থাকাও উপকারী হতে পারে।
এ ছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে আদা চা, আদা ক্যান্ডি বা অল্প পরিমাণ আদা বমি বমি ভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। যাদের প্রায়ই মোশন সিকনেস হয়, তারা ভ্রমণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শে উপযুক্ত ওষুধ সেবন করতে পারেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, বারবার বমি হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি বা ওরস্যালাইন পান করা জরুরি। তবে বমির সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর, অজ্ঞান হওয়া বা অন্য কোনও গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সচেতনতা- কিছু সহজ প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে বাসযাত্রায় বমির সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
বাসযাত্রায় বমির সমস্যা প্রতিরোধে জেনে নিন চিকিৎসকদের পরামর্শ
দূরপাল্লার বা আঁকাবাঁকা সড়কে বাসে ভ্রমণের সময় অনেক যাত্রী মোশন সিকনেসে (চলাচলজনিত অসুস্থতা) ভোগেন। এর ফলে মাথা ঘোরা, অস্বস্তি, ঠান্ডা ঘাম এবং বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চোখে দেখা দৃশ্য এবং শরীরের ভার
প্রিয় বাংলাদেশজীবনধারা


