বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনিতে যে সব অনিময় দুর্নীতি হয়েছে সে সব তথ্য যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। সরকারের প্রতিশ্রুতির ফ্যামিলি কার্ড প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি যাবে। ফ্যামিলি কার্ডের কাছে কারো যেতে হবে না।
সরকার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সকল মানুষের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে। আপনারা সরকারের উপর আস্থা রাখুন। শনিবার (৪ জুলাই) রংপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এসব কথা বলেন। সমাকল্যাণ মন্ত্রী বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শনকালে অফিস কক্ষে ধুলার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে।
পরে রংপুর বিভাগের আট জেলার সমাজকল্যাণ ও সমাজ সেবার কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। এরপর দুপুরে রংপুর বিভাগীয় সমাজ সেবা অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি যাবে। ফ্যামিলি কার্ডের কাছে কারো যেতে হবে না। বাড়ি বাড়ি যে তথ্য সংগ্রহ করবে সেই তথ্য ওখান থেকেই তারা কম্পিউটারে আপলোড করবে।
সেখান থেকে অটোমেটিক্যালি জেনারেট হবে কারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত, কারা উপযুক্ত না। ফ্যামিলি কার্ড পাবে সবাই। কিন্তু উপকারভোগী নির্বাচন হবে কম্পিউটারে। নির্দিষ্ট রুপরেখা অনুযায়ী। এর মাধ্যমে এটা নির্বাচিত হবে এবং তার পরবর্তীতে কিছুটা এটা যাচাইবাছাই হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ম্যাক্সিমাম দশ থেকে বারো সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় রংপুর শহরসহ সর্বত্রই চালু হয়ে যাবে ফ্যামিলিকার্ড ইনশাআল্লাহ। আমরা আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের জবাবদিহিতা জনগণ ও সংসদের কাছে। প্রধানমন্ত্রীসহ বর্তমান সরকার দুর্নীতির ব্যাপারে একদম জিরো টলারেন্স। কোনো পারসেনটেজ নাই।
দুর্নীতি করলে কাউকে কোনো ক্ষমা করা হবে না। এটা এক নাম্বার নির্দেশনা। মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে যেটা হয়েছে সেটার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছু করেছিল। আপনারা দেখেছেন যে, আমাদের দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য একটা রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেইটার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে। আমরা সামনের দিকে এগোনোর জন্য এই কাজ করতেছি আর দুর্নীতি ধরার জন্য দুদকসহ অন্যান্য যারা আছে তাদেরকে ওই কাজের জন্য লাগিয়ে দিয়েছি। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আমরা এখন খালি কাঁটা বাছার জন্য নিজের কাজ ফেলে ফেলে ওইটার মধ্যে নামছি না। ১৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা সরকারের দায়িত্ব নিয়েছি।
কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। এইটা আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই। কারণ আমার তো ভাই দিনশেষে ওই ভোটারের কাছে যেতে হবে আবারও ভোট চাওয়ার জন্য। আর সরকারেরও পার্লামেন্টে জবাবদিহি করতে হবে এবং দেখেছেন তো সংসদের অবস্থা। সংসদে এখন সব আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত প্রশ্ন উত্তর দেন। আমরা তো দেইই। কাজেই আমরা একটা ভাইব্রেন্ট গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। বিরোধী দল এ পর্যন্ত আমাদেরকে যে পরিমাণ সহযোগিতা সংসদীয় গণতন্ত্রে করা উচিত সেটা তারা করেছে। এর আগে মন্ত্রী সকালে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ধাপ কেল্লাবন্দ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং, সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সমাজসেবা কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
ফ্যাসিস্ট আমলে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে দুর্নীতি তথ্য যাচাইবাছাই চলছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনিতে যে সব অনিময় দুর্নীতি হয়েছে সে সব তথ্য যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। সরকারের প্রতিশ্রুতির ফ্যামিলি কার্ড প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি যাবে। ফ্যামিলি কার্ডে
