দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে অসাধারণ ব্যাটিং করে আলোচনায় এসেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। অপরাজিত ৩৫২ রানের সেই ইনিংসের পর জাতীয় দলের একাদশে তাঁর জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁকে ছাড়াই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ।এক মাসের কিছু বেশি সময় আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে খেলতে নেমে দুর্দান্ত ইনিংসটি খেলেন হৃদয়। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সফরকারী কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ প্রথম শ্রেণির স্কোর হিসেবেও ইনিংসটি উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে।
তবে রেকর্ড গড়ার পরও জাতীয় দলের একাদশে জায়গা হয়নি এই ব্যাটারের। তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে দলের ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তন আনতে হতো। বিশেষ করে টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারের সমন্বয় নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন দেখা দিতে পারত। শেষ পর্যন্ত টিম ম্যানেজমেন্ট বিদ্যমান কাঠামো ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।ফলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্টে যে ব্যাটিং বিন্যাস দেখা গিয়েছিল, আফগানিস্তানের বিপক্ষেও সেটিই রাখা হয়েছে। বোলিং বিভাগে তিনজন স্পিনার ও দুজন পেসারকে নিয়ে দল সাজানো হয়েছে। একাদশে যুক্ত হয়েছেন অফস্পিনার নাঈম হাসান।
বাংলাদেশের একাদশে রয়েছেন সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, উইকেটরক্ষক লিটন দাস, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও এবাদত হোসাইন।হৃদয়ের রেকর্ড গড়া ইনিংস তাঁর ব্যক্তিগত সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেও জাতীয় দলের একাদশ নির্ধারণে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলের ভারসাম্য, প্রতিপক্ষের ধরন এবং কৌশলগত পরিকল্পনাও বিবেচনায় থাকে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে সেই বিবেচনাতেই একাদশ নির্বাচন করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।