দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিতে শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসের ৩২৯ রানের জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান তুলেছে অস্ট্রেলীয়রা। ফলে প্রথম ইনিংসে এক রানের লিড পেয়েছে দলটি। দিনের শেষ ভাগে জশ ইংলিস ও অ্যালেক্স ক্যারি দুর্দান্ত ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়াকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। পঞ্চম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে যোগ হয়েছে ১৪৫ রান। 
ইংলিস ৮৫ এবং ক্যারি ৫১ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন। এর আগে তৃতীয় উইকেটে ম্যাট রেনশ ও ক্যামেরন গ্রিনের ১২৬ রানের জুটি দলকে বিপর্যয় থেকে সামলে নেয়। রেনশের ব্যাট থেকে আসে ৭৪ রান, আর গ্রিন করেন ৬৫। শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিস হেড ৪১ রান করে ফিরে যান, আর মার্নাস লাবুশেন কোনো রান না করেই আউট হন। দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার সাইমন হারমার দুজনকেই সাজঘরে ফেরান। রেনশ ও গ্রিনের গড়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে পরে ইনিংস এগিয়ে নেন ইংলিস ও ক্যারি। তবে তাদের আগে রেনশ ও গ্রিনকে ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার মার্কো ইয়ানসেন। 
এই ম্যাচে ঘাড়ের চোটের কারণে খেলছেন না অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথ। তার অনুপস্থিতি নিয়ে দলের মধ্যে বাড়তি আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন রেনশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে ইয়ানসেন উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন। নিজের ২৪তম টেস্টে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। একই দিনে টেস্ট ক্রিকেটের বোলার ও অলরাউন্ডারদের র‍্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে ওঠার তথ্য জানানো হয়েছে। অন্যদিকে পেটের পেশিতে টান থাকায় অস্বস্তিতে রয়েছেন কাগিসো রাবাদা। 
১৮ ওভার বল করে তিনি দিয়েছেন ৮১ রান। তার এক ওভারে গ্রিন দুটি ছক্কা ও একটি চার মারেন। ম্যাচের প্রথম দিন এক উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু পরে দ্রুত উইকেট হারিয়ে তাদের ইনিংস থামে ৩২৯ রানে। দ্বিতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং দৃঢ়তা ম্যাচে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।