টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান তোলাই ব্যাটারদের বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সেই চ্যালেঞ্জকে ছাড়িয়ে অল্প কয়েকটি বলেই শতরান পূর্ণ করেছেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁদের এমন বিধ্বংসী ইনিংস ব্যাটিংয়ের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।দ্রুততম শতকের তালিকায় ইউরোপের সহযোগী সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকারাও রয়েছেন।
সাহিল চৌহান — ২৭ বল
এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান ২০২৪ সালের ১৭ জুন সাইপ্রাসের বিপক্ষে মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন। পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই দ্রুততম শতকের রেকর্ড হিসেবে পরিচিত। ওই ইনিংসে তিনি ১৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ১৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
মুহাম্মদ ফাহাদ — ২৯ বল
তুরস্কের মুহাম্মদ ফাহাদ ২০২৫ সালের ১২ জুলাই বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ২৯ বলে তিন অঙ্কের রান পূর্ণ করেন। এই ইনিংস তাঁকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির দ্রুততম শতকের তালিকায় ওপরের দিকে নিয়ে আসে।
অভিষেক শর্মা — ৩০ বল
ভারতের বাঁহাতি ওপেনার অভিষেক শর্মার নামও দ্রুততম শতকের আলোচনায় রয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩০ বলে তাঁর সেঞ্চুরির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৩৩ বলে সেঞ্চুরি
নামিবিয়ার জান নিকোল লফটি-ইটন ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি নেপালের বিপক্ষে ৩৩ বলে শতক করেন। একই বছরের ২৩ অক্টোবর গাম্বিয়ার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজাও ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেনের নামও এই তালিকায় রয়েছে।
কুশল মাল্লা — ৩৪ বল
নেপালের কুশল মাল্লা ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেন। তাঁর এই ইনিংস আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত শতকের অন্যতম আলোচিত উদাহরণ।
৩৫ বলে সেঞ্চুরি
দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেন। একই বছরের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের রোহিত শর্মাও ৩৫ বলে শতক পূর্ণ করেন। চেক প্রজাতন্ত্রের সুদেশ বিক্রমাসেকারার নামও এই তালিকায় রয়েছে।এ ছাড়া অভিষেক শর্মা, টিম ডেভিড, জনসন চার্লস, ফিল সল্ট ও সাঞ্জু স্যামসনের মতো ব্যাটারদেরও দ্রুত শতকের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের কয়েকজন ৩৭ থেকে ৪০ বলের মধ্যে তিন অঙ্কের রান করেছেন বলে প্রদত্ত তথ্যে বলা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম শতকের রেকর্ড সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই তালিকাটি প্রকাশের আগে আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট ক্রিকেট বোর্ডের পরিসংখ্যান দিয়ে প্রতিটি ইনিংসের তারিখ, প্রতিপক্ষ ও বলসংখ্যা যাচাই করা জরুরি।




