আগের দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে রাত কাটানো সাদমান ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেই ফিরেছেন সাজঘরে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংসে ধাক্কা দেন তাওহিদ হৃদয়ও। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের বদলে আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে উইকেট হারান এই ডানহাতি ব্যাটার।
বৃহস্পতিবার টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনের দ্বিতীয় বলেই কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা পান সাদমান। জশুয়া বিশপের বল অনসাইডে ঠেলে দুই রান নিয়ে ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি উদ্যাপন করেন তিনি। ধৈর্য ধরে ২২০ বলে মাইলফলকটি স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি ওপেনার।
এর আগে নব্বইয়ের ঘরে দুই দফায় আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হওয়ায় সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছিল। দিনের শুরুতে ৯৯ রানে অপরাজিত থাকায় তাঁকে ঘিরে সতীর্থদের মধ্যেও ছিল বাড়তি স্নায়ুচাপ। তবে সকালে আর বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি তাঁকে।
শতক পূরণের পর জোমেল ওয়ারিকনের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক হওয়ার ইঙ্গিত দেন সাদমান। কিন্তু পরের ওভারেই থেমে যায় তাঁর ইনিংস। বিশপের বল পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন তিনি। রিভিউ নিয়েও সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেননি। ২৩৪ বলের ইনিংসে ১১টি চারসহ তার সংগ্রহ ১০৫ রান।
সাদমানের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়ও। আগের দিন পেশিতে চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। চোট কাটিয়ে ফিরে বিশপের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্প থেকে সরে দাঁড়ান হৃদয়। কিন্তু বলের লাইন মিস করায় বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
৮৬ বলে ৪২ রান করেন হৃদয়। তাঁর এই অপ্রত্যাশিত বিদায়ে বাংলাদেশের ইনিংসে চাপ আরও বাড়ে। দিনের খেলা শুরু হয়েছিল ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে। কিন্তু সাদমান ও হৃদয়ের উইকেটসহ মাত্র ৮ রান যোগ করতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। ফলে সেঞ্চুরির স্বস্তির পরপরই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দলটি।




